Tuesday, December 1, 2020
করোনা ভাইরাস ৪৮ ঘন্টা ব্যবধানে নতুন একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত

৪৮ ঘন্টা ব্যবধানে নতুন একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত

বাংলাদেশে দুইদিন পরে নতুন একজন কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৪৯ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন পাঁচজন  এবং সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৯ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৫ জন।

নতুন যিনি আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি একজন নারী, বয়স বিশের কোঠায়। তবে তিনি কীভাবে আক্রান্ত হয়েছেন বা তার সম্পর্কে বিস্তারিত আর কোন তথ্য জানাতে পারেনি আইইডিসিআর।

সোমবার (৩০ মার্চ) আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলেন এসব তথ্য জানান।

এর আগে, টানা দুইদিন কেউ করোনায় শনাক্ত ছিলো না বলে জানিয়েছিলো আইইডিসিআর।

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা  বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হটলাইনে ফোন এসেছে ৪ হাজার ৭২৪টি। এর মধ্যে করোনা সংক্রান্ত কল এসেছে ৩ হাজার ৯৯৭টি। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫৩টি। সর্বমোট ১ হাজার ৩৩৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

আইইডিসিআরের পরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআর, জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান এবং চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি)-এ পরীক্ষাগুলো করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এক জায়গায় ৩৬ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ছিল। তাদের কারও শরীরে করোনাভাইরাস না পাওয়া না যাওয়ায় তাদের  ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সারাদেশে এখনও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩২ জন। আর ৬২ জন আছেন আইসোলেশন। সব মিলিয়ে আইসোলেশনে আছেন ২৬২ জন।

তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত ৪৯ জনের মধ্যে আরও চার জনের শরীরে সংক্রমণ আর নেই। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ৮০ বছর। আরও দুজনের বয়স ৬০-এর বেশি। তার মানে বয়োজ্যেষ্ঠ হলেই ঝুঁকিপূর্ণ এমন নয়। চার জনের মধ্যে দু’জন বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিন জনের বিভিন্ন রোগ ছিল। এই চার জনের মধ্যে একজন চিকিৎসাকর্মী ছিলেন। সব মিলিয়ে ১৯ জন করোনামুক্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিটি প্রতিরোধ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একদিন কোনও কেস ডিটেক্টেড না হলে ধরে নেওয়া যাবে না আমরা ঝুঁকিমুক্ত হয়ে গেছি। আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ আপনারা ঘরে থাকবেন। এই সময় আপনাদের ঘরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমরা গণমাধ্যমে খবর দেখেছি আপনারা ঘর থেকে বের হচ্ছেন। দয়া করে কেউ ঘর থেকে বের হবেন না। একান্ত প্রয়োজনে যদি কেউ বের হন, তাহলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন।

এর মধ্যেই ৯২ হাজার টেস্ট কিট সংগ্রহ করা হয়েছে বলে এসময় জানায় সংস্থাটি। এছাড়া দেশের প্রায় সকল মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনার নমুনা সংগ্রহের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে বলেও জানায় সংস্থাটি।

তিনি আরও বলেন, নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া সহজতর করার জন্য কয়েকটি টিম গঠন করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা গেলে আইইডিসিআরের হটলাইন কিংবা জেলা পর্যায়ের হট লাইনেও যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে। সুতরাং আপনারা সরাসরি হাসপাতালে না গিয়ে হট লাইনে যোগাযোগ করুন। আমরা আবারও অনুরোধ করছি, আমাদের দেয়া পরামর্শগুলো মেনে চলার জন্য।

এরআগে আক্রান্ত ছিল ৪৮ জন। এখানে পড়ুন

সূত্রঃ www.corona.gov.bd

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সাম্প্রতিক আপডেট

স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নেই,চিকিৎসায় বেহাল দশা

চীনে গত ডিসেম্বরেই করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। মার্চের ৮ তারিখ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপরই স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা ব্যবস্থার বিষয়টি আলোচনায় আসে।...

যুক্তরাষ্ট্র WHO তে অর্থায়ন বন্ধ করবে-ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে WHO (ডাব্লুএইচও) অর্থায়ন বন্ধ করতে যাচ্ছেন। কারণ করোনভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রতিক্রিয়ায় এটি "এর...

নতুন আক্রান্ত ২১৯ জন, মৃত্যুবরণ করেছে ৪ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ২১৯ জন। এছাড়া আরো ৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। নতুন আক্রান্ত ২১৯...

আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম।নতুন আক্রান্ত ২০৯

করোনায় বাংলাদেশে মাত্র ৩৮ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম করলো। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ২০৯ জন।

মতামত